২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার এক মাস পরও ইরান লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হলেও দেশটির শাসনব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। ইরান পাল্টা হামলায় ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। এ পর্যন্ত ইরানে ১,৯৩৭ জন ও লেবাননে ১,১১৬ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, ৯২ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আবাসিক ইউনিট, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২৫০ শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিহত এবং ৭০০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাবেক এমআই-৬ প্রধান অ্যালেক্স ইয়াঙ্গার বলেছেন, ইরান কৌশলগতভাবে এগিয়ে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৮০০ মিলিয়ন ডলার এবং আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা ১০ দিনের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবকে একতরফা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। জার্মানি অভিযোগ করেছে, রাশিয়া ইরানকে হামলার লক্ষ্য শনাক্তে সহায়তা দিচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।