মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা ২৯ অক্টোবর মধ্যরাতে শেষ হওয়ায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীর প্রায় ১৫ হাজার জেলে সাগরে মাছ ধরতে নামছেন। ইলিশ ও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ শিকারের জন্য প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে ছয় শতাধিক ফিশিং ট্রলার প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাঁশখালী ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আবদু শুক্কুর।
নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার খবরে ছনুয়া, খুদুকখালী, খাটখালী ঘাট, শেখেরখীল ফাঁড়ির মুখ, বাংলাবাজার, জালিয়াখালী নতুন বাজার ও খানখানাবাদসহ বিভিন্ন ঘাটে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে। জেলে আবদুল মজিদ বলেন, ট্রলার ধোয়া-মোছা, ইঞ্জিন মেরামত এবং জাল গোছানোর কাজ শেষ করে তারা সাগরে রওনা হওয়ার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছেন।
জেলে বিমল জলদাস বলেন, মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তাদের চরম দেনা ও সংসার চালানোর অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে হয়েছে। খাটখালী ঘাট ও ফাঁড়ির মুখে ট্রলারগুলোতে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য বরফ, খাদ্যসামগ্রী ও তেল মজুত করা হচ্ছিল। জলদস্যুর হামলা এবং অন্য দেশের জেলেদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিও দাবি করেছেন জেলেরা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।