Web Analytics

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার পর বাংলাদেশের পোশাক ও বস্ত্র কারখানায় গ্যাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে এবং বহু এলাকায় উৎপাদন গতি পেয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও চাপ না থাকায় কয়েকটি শিল্পাঞ্চলে কারখানাগুলো এখনো পুরো সক্ষমতায় চলতে পারছে না বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর জাতীয় গ্যাস সরবরাহের বড় অংশ বন্ধ হয়ে সংকট তীব্র হয়।

গাজীপুরের কালিয়াকৈর-চন্দ্রা লাইনে গ্যাস না থাকায় সংশ্লিষ্ট কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গাজীপুর সদর, জয়দেবপুর, রাজেন্দ্রপুর, শ্রীপুর ও মাওনাতেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। নরসিংদীতে চাপ কিছুটা বাড়ায় উৎপাদন আংশিক স্বাভাবিক হলেও সাভারের আশুলিয়ায় পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ সক্ষমতা অব্যবহৃত থাকছে।

বিটিএমএ জানিয়েছে, প্রায় ৭০ শতাংশ টেক্সটাইল কারখানা মোটামুটি গ্যাস পেলেও বাকি ৩০ শতাংশে সরবরাহ ঠিক হয়নি। আশুলিয়ার একটি কারখানায় প্রয়োজনীয় ১০ পিএসআইয়ের বদলে ৩ পিএসআই চাপ পাওয়া যাচ্ছে এবং মাত্র ৩০ শতাংশ উৎপাদন চালু আছে। শিল্প নেতারা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী সংকটে অর্ডার বাতিল, বিলম্বজনিত ছাড় এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

Card image

Related Rumors

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।