প্রতিবেদন জানায়, শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান অতিরঞ্জিত করে দেখানোর সঙ্কত এখনো বন্ধ হয়নি এবং বর্তমান ও আগের সরকারও কার্যকর সংস্কার নেয়নি। খেলাপি ঋণের তথ্য লুকিয়ে রাখা, রপ্তানি আয় বেশি দেখানো, জিডিপির প্রকৃত চিত্র আড়াল করা এবং বাজেট বারবার বাড়ানো ছিল সেখানে নিয়মিত ঘটনা। অন্তর্বর্তী সরকার একটি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠন করে বিবিএস সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি বলে বলা হয়েছে।
সংবাদে টাস্কফোর্সের বিষয়ে বলা হয়েছে, আট সদস্যের ওই কমিটির সভাপতি করা হয়েছিল হোসেন জিল্লুর রহমানকে এবং সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মঈনুল ইসলাম। তারা বিবিএসকে স্বায়ত্তশাসিত করে তথ্যের গুণগত মান ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বিবিএস কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথাও অন্তর্ভুক্ত আছে যে কিছু তথ্য মন্ত্রীর অনুমোদন ছাড়া প্রকাশ করা হচ্ছে, যদিও টাস্কফোর্সের সুপারিশ ও কার্যক্রম সম্পর্কে সব কর্মকর্তাই পুরোপুরি অবহিত নন। প্রতিবেদনটি জনসংখ্যা, জিডিপি, মূল্যস্ফীতি ও রপ্তানি সংক্রান্ত অসামঞ্জস্য এবং আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের পরামর্শের মাধ্যমে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।