সৌদি আরব শুক্রবার ইউরোপের শোধনাগারগুলোকে জানিয়েছে, আগামী মাসে তাদের কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল সরবরাহের আশা না করতে। উপসাগর ও ইউরেশিয়ার সংঘাতের মধ্যে এই বার্তা ইউরোপের জ্বালানি সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। পূর্ব ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, হরমুজ প্রণালি, কৃষ্ণসাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহপথ চাপের মুখে রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর সরাসরি প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়তে পারে।
লোহিত সাগরে হুথি বাহিনীর অগ্রযাত্রায় তেল ও এলএনজিবাহী জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বেড়েছে। বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ না হলেও যুদ্ধঝুঁকির বিমা ব্যয় বেড়েছে এবং অনেক জাহাজ কেপ অব গুড হোপ ঘুরে যাচ্ছে। এতে যাত্রাপথে ১০ থেকে ১৪ দিন বাড়ছে। ১১ সেপ্টেম্বর পাম্পিং স্টেশনে ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যায়; কবে চালু হবে তা স্পষ্ট নয়।
দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের জ্বালানি ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান কনস্টানতিনোস স্টামবোলিসের মতে, সংকটটি বৈশ্বিক আর্থিক সংকটে রূপ নিচ্ছে। ইউরোজোনে মূল্যস্ফীতি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ এবং জ্বালানি মূল্যস্ফীতি ১৪ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। রাশিয়া, কাজাখস্তান ও কাস্পিয়ান সরবরাহঝুঁকি, ২০২৭ সালের সম্ভাব্য শৈত্যপ্রবাহ, বায়ুবিদ্যুৎ কমে যাওয়া এবং ইইউর নতুন মিথেন বিধি চাপ আরও বাড়াতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।