৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েই পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে ফিরে না যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে, যদিও সামরিক হামলা ও পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তান, কাতারসহ বিভিন্ন দেশের মধ্যস্থতায় আলোচনা চললেও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা কমেনি। ইরান যুদ্ধবিরতিকে পুনর্গঠনের সময় হিসেবে ব্যবহার করছে, আর যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতির মাধ্যমে চাপ বজায় রাখছে।
ইসরাইলের বৈরুতে নতুন বোমাবর্ষণ ট্রাম্পের কূটনৈতিক বিকল্প সীমিত করেছে এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তিকে জটিল করেছে। ইরান বলছে, যেকোনো বৃহত্তর চুক্তির আগে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতিতে বড় আঘাত হেনেছে।
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে; কেউ মধ্যস্থতায় যুক্ত, কেউ ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করছে। দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আস্থা নষ্ট করেছে, আর ট্রাম্প এখন রাজনৈতিকভাবে চাপে রয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।