মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর সমুদ্রে ভাসমান প্রায় ১৭ কোটি ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল বাজারে আসতে যাচ্ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে চীনের জলসীমা পর্যন্ত বিভিন্ন জাহাজে এই তেল মজুদ রয়েছে। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনার্জি এসপেক্টের হিসাব অনুযায়ী, সমুদ্রে থাকা তেলের পরিমাণ ১৩০ থেকে ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল, যা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উৎপাদন ঘাটতির তুলনায় ১৪ দিনেরও কম সরবরাহের সমান।
এশিয়ার অপরিশোধিত তেলের ৬০ শতাংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, কিন্তু চলতি মাসে হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শোধনাগারগুলো উৎপাদন কমাতে ও রপ্তানি সীমিত করতে বাধ্য হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই অঞ্চলের যেকোনো অস্থিরতা সরাসরি জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলছে।
২০১৮ সালের নিষেধাজ্ঞার পর থেকে চীন ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা হিসেবে রয়ে গেছে, গত বছর প্রতিদিন গড়ে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল আমদানি করেছে। ভারতও কম মজুদের কারণে ইরানি তেল কেনার উদ্যোগ নিচ্ছে, তবে অর্থপ্রদানের পদ্ধতি ও মার্কিন অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।