সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ থেকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন। চার দিনব্যাপী এই বৈঠক চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটি দুই বাহিনীর প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক। মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের বিজিবি প্রতিনিধি দল এতে অংশ নিচ্ছে। এবারের আলোচনায় সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, পুশইন, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানসহ সাতটি অমীমাংসিত ইস্যু সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
সূত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যু, অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা, এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানাবে। সরকার আশা করছে, ভারত সীমান্তে অস্থিরতা সৃষ্টি না করার প্রতিশ্রুতি দেবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, সহযোগিতা এবং সাম্প্রতিক পুশইন ইস্যু বৈঠকে গুরুত্ব পাবে।
এই সম্মেলনের ফলাফল দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা ও ভবিষ্যৎ সীমান্ত ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নয়াদিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু, আলোচনায় সাতটি অমীমাংসিত ইস্যু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।