মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বছরও না পেরোতেই ইরানে সর্বাত্মক হামলার নির্দেশ দিয়েছেন, যদিও তিনি পূর্বে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তার পররাষ্ট্রনীতি কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত হবে না। আল জাজিরাকে দেওয়া বিশ্লেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধ ট্রাম্পের ঘোষিত নীতি ও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এটি মূলত ইসরাইল ও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য লাভজনক হবে। ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির নেগার মোর্তাজাভি বলেছেন, এটি ইসরাইলের চাপে যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা আরেকটি যুদ্ধ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহু বহু বছর ধরে ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে হুমকি হিসেবে তুলে ধরলেও তেহরান ও মার্কিন কর্মকর্তারা অস্ত্রায়নের প্রমাণ অস্বীকার করেছেন। ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় তিন দফা আলোচনায় অগ্রগতি সত্ত্বেও ট্রাম্প হামলার সিদ্ধান্ত নেন, যা সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিকে ভণ্ডুল করেছে। জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের সঙ্গে নতুন যুদ্ধের বিরোধী।
ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের সভাপতি জামাল আবদি বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক সাফল্য হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি দীর্ঘ ও অনিশ্চিত সামরিক সংঘাতের ইঙ্গিত বহন করে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের ইরান হামলায় লাভবান হবে ইসরাইল, ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্র
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।