রাজধানীর একসময়ের শান্ত আবাসিক এলাকা পল্লবীতে খুন, গুলি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধের খবর বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের এই এলাকায় মোহাম্মদপুরের মতো অপরাধের ধরন গড়ে ওঠার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ১ সেপ্টেম্বর রাতে মিরপুর বাংলা স্কুল এলাকায় অটোরিকশা থেকে জিম্মি কিশোর অর্ককে উদ্ধার করে ট্রাফিক পুলিশ; এ ঘটনায় ১৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ রাব্বিকে আটক করা হয়, পালিয়ে যায় আরও তিনজন।
৭ আগস্ট মিল্লাত ক্যাম্পে গুলিতে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন ও পথচারী জ্যোৎস্না আহত হন। পরে ডিবি পুলিশ কথিত মূল শুটার ল্যাংড়া রুবেল ও তার চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন ও এক হাজার ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানানো হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকের ১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগি ও এলাকার আধিপত্যের বিরোধে হামলাটি হয়েছিল।
ডিএমপির তথ্যে পল্লবীতে ১৪টি সক্রিয় কিশোর গ্যাং এবং ১৭টি মাদক স্পটে ১৭ জন চিহ্নিত ডিলারের তথ্য রয়েছে। এলাকাবাসী মাদকের ঘাঁটি ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি যৌথ অভিযান দাবি করেছেন। পুলিশের মুখপাত্র শাহাদাত হোসাইন বলেন, নিয়মিত অভিযান চলছে এবং অপরাধীরা রেহাই পাবে না।
গ্যাং, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে পল্লবীতে দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।