জাতিসংঘ বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি পর্ব তিন বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়াকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি। তবে এই সময়ের মধ্যে ব্যতিক্রমী সাফল্য দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। রোববার রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক মিডিয়া সংলাপে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশকে একসঙ্গে উত্তরণের প্রস্তুতি শেষ করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিদান দিতে হবে সুনির্দিষ্ট সংস্কার ও তার বাস্তবায়নের মাধ্যমে; কেবল নীতিমালা বা প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট নয়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, সুদের হার কমানো, রাজস্ব বাড়ানো, ব্যাংকিং খাত সংস্কার এবং সরকারি ব্যয়ের মান নিশ্চিত করাকে তিনি অগ্রাধিকার দেন। বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২৯ অক্টোবর সিদ্ধান্ত নিয়ে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উত্তরণের তারিখ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বরে সরিয়েছে। সিপিডি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সমন্বয়, সংস্কারের অগ্রগতি জানাতে উন্মুক্ত ড্যাশবোর্ড এবং সংসদে উত্তরণ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। সংস্থাটি পর্যবেক্ষণের জন্য ২৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে এবং ১০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে সর্বদলীয় ককাস গঠনের নোটিস জারির কথাও জানিয়েছে।
এলডিসি উত্তরণে বাড়তি সময় কাজে লাগাতে সংস্কার ও জবাবদিহির তাগিদ সিপিডির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।