পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় কথিত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের জন্য আটক বা ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। সপ্তাহের শেষে রাজ্য পুলিশের কাছে পাঠানো সরকারি নোটে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধভাবে বসবাসরত বিদেশিদের প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এই শিবিরগুলো গড়ে তুলতে হবে। গত এক বছরে ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের শিবির স্থাপন করা হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব রাজ্যে আটক অনেকেই পরে প্রকৃত ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণিত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই পশ্চিমবঙ্গের বাংলাভাষী মুসলমান পরিযায়ী শ্রমিক। আটক ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন, হোল্ডিং সেন্টারে খাবার অপর্যাপ্ত ছিল এবং তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয়নি। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অর্থনীতিবিদ ও কংগ্রেস নেতা প্রসেনজিৎ বসু প্রশ্ন তুলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের শিবিরের প্রয়োজন কেন এবং কতজন বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী রয়েছে, সে তথ্য রাজ্য সরকার প্রকাশ করা উচিত। তিনি জানান, তথ্য অধিকার আইনে করা তার প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর এখনও পাননি।
বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আটক শিবির গঠনের নির্দেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।