যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রায় দেড় মাসের ধারাবাহিক হামলার সময় ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ইরানের প্রায় ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর মধ্যে তেহরানের শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ও রয়েছে, যা ইরানের অন্যতম শীর্ষ প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পণ্ডিতরা এই হামলাকে উচ্চশিক্ষা ও জ্ঞানের ওপর আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব বিশ্ববিদ্যালয় ইরানের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু করেছে যাতে ইরানের আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি ব্যাহত হয়। পশ্চিমা গণমাধ্যম, বিশেষ করে নিউইয়র্ক টাইমস, ঘটনাটিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করেছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে। ইরানি শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এই হামলা ইরানের সার্বভৌমত্ব ও প্রযুক্তিগত স্বায়ত্তশাসন ধ্বংসের প্রচেষ্টা।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়েছে, মুসলিম দেশগুলোর উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি ইসরাইলের শত্রুতার ইতিহাস রয়েছে এবং তুরস্ক ও পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধেও একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে আক্রমণ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ইসরাইলি বিমান হামলায় তেহরানের শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ইরানের প্রায় ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।