পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবাগ্রহীতাদের সুরক্ষায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ তার অধীনস্থ সব কার্যালয়কে শতভাগ তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করেছে। সোমবার রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও কর্তৃপক্ষের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলাম এ ঘোষণা দেন। জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করে এখন থেকে সব কার্যক্রম ধূমপানমুক্ত এলাকা হিসেবে পরিচালিত হবে।
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রতিদিন সেবা নিতে আসা নাগরিকদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূল প্রবন্ধে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, তামাকের ধোঁয়ায় প্রায় ৭ হাজার রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫০টি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে তামাকের কারণে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।
গ্যাটসের তথ্য উদ্ধৃত করে বক্তারা বলেন, আচ্ছাদিত কর্মক্ষেত্রে ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সরকারি কার্যালয়ে ২১ দশমিক ৬ শতাংশ অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপানজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। তারা সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬-এর বিধিমালা দ্রুত প্রণয়নের দাবি জানান। বিধিমালা হলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আরও স্পষ্ট নির্দেশনা পাবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার সুফল দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাবে বলে তারা উল্লেখ করেন।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সব কার্যালয় তামাক ও ধূমপানমুক্ত ঘোষণা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।