আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রায় দেড় দশকের শাসনামলে সংঘটিত পৃথক বা বিচ্ছিন্ন গুমের মামলার বিচার ফৌজদারি আদালতে হবে, আইসিটিতে নয়। রোববার ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৬ অনুযায়ী পৃথক গুমের ঘটনা ফৌজদারি অপরাধ এবং সংশ্লিষ্ট আদালতেই এর বিচার হবে।
তিনি বলেন, একই সঙ্গে বহু গুম বিস্তৃত পরিসরে ও পদ্ধতিগতভাবে সংঘটিত হলে সেগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারযোগ্য হবে। ইলিয়াস আলী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের গুমের ঘটনাকে এমন বিস্তৃত ও পদ্ধতিগত অপরাধের অংশ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে রাখার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান। তবে পৃথকভাবে কাউকে ধরে পুলিশ হেফাজতে রেখে পরে মামলা দেওয়ার ঘটনা এ শ্রেণিতে পড়বে না।
একই সময়ে বহু ক্রসফায়ার হত্যা বিস্তৃত ও পরিকল্পিতভাবে ঘটলে তা আইসিটিতে আনা হতে পারে বলেও তিনি জানান। তিনি কাউন্সিলর একরামের মামলাকে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন। জিয়াউল হাসানের গুম মামলা বিচারের শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যারিস্টার আরমান ও ব্রিগেডিয়ার আজমির মামলায় পাঁচজনের বেশি সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ ২৫০ গুমের শিকার ব্যক্তিকে নিয়ে যৌথ তদন্ত চলছে।
বিচ্ছিন্ন গুমের বিচার সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি আদালতে হবে বলে জানালেন চিফ প্রসিকিউটর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।