বাংলাদেশ বৈশ্বিক হালাল বাজারে প্রবেশের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর এবং এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সফরে হালাল শিল্পে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের এই বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের সম্ভাবনা থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার ও একক সনদের অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
মালয়েশিয়া ১৯৭০-এর দশক থেকে ধাপে ধাপে একটি স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হালাল সার্টিফিকেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। দেশটির হালাল বাজার ২০৩০ সালের মধ্যে ১১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার মধ্যে খাদ্য ও পানীয় খাতের অংশ ৮৫ বিলিয়ন ডলার। জাকিম সংস্থা হালাল সনদ প্রদান করে এবং হালাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে।
বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ৮৫ কোটি ডলারের হালাল পণ্য রপ্তানি করে, যার বেশিরভাগই কৃষিভিত্তিক। আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি ও একক সনদ নিশ্চিত করা গেলে এবং একটি হালাল অর্থনৈতিক জোন প্রতিষ্ঠা করা গেলে রপ্তানি বহুগুণে বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মালয়েশিয়ার মডেল অনুসরণে বৈশ্বিক হালাল বাজারে প্রবেশের উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।