বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সর্বাত্মক অসহযোগের প্রথম দিন ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গুলিতে এক দিনে শতাধিক মানুষ নিহত এবং কয়েক হাজার মানুষ আহত হন। ওই দিন শাহবাগে আন্দোলনের পক্ষ থেকে আগে নির্ধারিত ৬ আগস্টের বদলে ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে কারফিউ জারির পরও রাত ১০টা পর্যন্ত বহু স্থানে সংঘর্ষ চলে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ৫০টির বেশি জেলায় সহিংসতা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় ১৩ পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও ছররা গুলি ব্যবহার করে বলে প্রতিবেদনের দাবি। বিভিন্ন জেলায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়, নেতাদের বাসভবন ও সরকারি দপ্তরে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের খবরও দেওয়া হয়।
শাহবাগে বেলা ৩টার দিকে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর কবির নানক আন্দোলনকারীদের ‘জঙ্গি গোষ্ঠী’ আখ্যা দিয়ে সহিংসতার দায় তাদের ওপর আরোপ করেন। সরকার অনির্দিষ্টকালের কারফিউ, মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ, আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন ও তিন দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। একই দিনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের প্রস্তাব দেয়।
৪ আগস্টের সহিংসতার মধ্যে ৫ আগস্টে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।