ড. মোহাম্মদ আবদুল বারীর বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত এই লেখায় বলা হয়, সর্বগ্রাসী সরকারের পতনের দুই বছর পরও আন্দোলনের নৈতিক শক্তি ও জনসমর্থনকে টেকসই রাজনৈতিক কাঠামোয় রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে তরুণদের রাজনৈতিক দল দুর্বল সংগঠন, অস্পষ্ট লক্ষ্য ও নেতৃত্বের অভাবে ব্যর্থ হয়।
নিবন্ধে নেপালের যুব আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করে বলা হয়, নেপালের তরুণরা ধীরে ধীরে সংস্কারের পথে এগিয়ে গিয়ে মূলধারার রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে পুরোনো রাজনৈতিক শক্তির পুনরুত্থান, দুর্নীতি ও বেকারত্বের স্থায়িত্ব পরিবর্তনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। লেখক মনে করেন, স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন রাষ্ট্র পরিচালনার বিকল্প নয়; বরং সংগঠিত নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা অপরিহার্য।
ড. বারী সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক চেতনাকে বদলে দিয়েছে। এখন তরুণদের দায়িত্ব হলো সেই অর্জিত সচেতনতাকে রাষ্ট্রীয় সক্ষমতায় রূপান্তর করা এবং টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর তরুণদের টেকসই রাজনৈতিক রূপান্তরে সংগ্রাম
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।