অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, কাঠামোগত দুর্বলতা, অসম্পূর্ণ সংস্কার ও ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে নতুন সরকার তার প্রথম জাতীয় বাজেট প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। রাজধানীর ধানমণ্ডিতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) কার্যালয়ে ‘বাজেট ঘিরে নাগরিক ভাবনা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাক্-বাজেট মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সীমিত আর্থিক সক্ষমতা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ব্যয় ও সম্পদের ভারসাম্য রক্ষা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ জরুরি। আগের সরকারের পে স্কেল উদ্যোগের দায় বর্তমান সরকারের ওপর পড়েছে, যা পুনর্বিবেচনার জন্য নতুন কমিশন গঠনের পরামর্শ দেন তিনি। অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, করজাল সম্প্রসারণ এবং অদক্ষ ভর্তুকি কমানোর ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন। দেবপ্রিয় চারটি প্রধান চাপের কথা উল্লেখ করেন—কাঠামোগত দুর্বলতা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, সীমিত আর্থিক পরিসর এবং বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্যহীনতা।
তার মতে, বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা নির্ধারণ ও স্বল্পমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হলে আসন্ন বাজেট অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে ব্যর্থ হতে পারে।
নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে সীমিত আর্থিক সক্ষমতা বড় চ্যালেঞ্জ বলে সতর্ক দেবপ্রিয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।