আলুর ন্যায্যমূল্য না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য প্রণোদনা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে আলু চাষ কমেছে, ফলে উৎপাদন হ্রাসের আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকরা এখন বেগুন, মিষ্টি কুমড়া ও লাউসহ অন্যান্য সবজি চাষে ঝুঁকছেন। কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আলুর দাম না পাওয়ায় চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাই সরকার প্রণোদনা দেবে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, দেশে আলুর চাহিদা প্রায় ৯০ লাখ টন হলেও গত মৌসুমে উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৭৩ হাজার মেট্রিক টন। অতিরিক্ত কীটনাশক ও সার ব্যবহারের কারণে অতিরিক্ত আলু রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে সানসাইন, গ্র্যানোলা ও ডায়মন্ড জাতের আলু বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানিকারকরা বলছেন, রপ্তানিযোগ্য জাতের আলু চাষ সীমিত থাকায় বাজার সম্ভাবনা পূর্ণভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২২–২৩ অর্থবছরে ৩২ হাজার ৩৯২ মেট্রিক টন আলু রপ্তানি হয়েছে, যা ২০২১–২২ অর্থবছরের ৬২ হাজার ৭২৬ মেট্রিক টনের তুলনায় কম। ২০১৩–১৪ অর্থবছরে আলু রপ্তানি আয় ছিল ৩৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ১০ মিলিয়ন ডলারের আশপাশে নেমে এসেছে।
আলুর দাম কমে চাষ কমায় কৃষকদের প্রণোদনা দেবে বাংলাদেশ সরকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।