বাংলাদেশে জেলা ও সাব-রেজিস্ট্রারদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভূমি নিবন্ধন ও মূল্যায়নে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু কর্মকর্তা ও ভূমিদস্যু মিলে উচ্চমূল্যের জমিকে ‘নাল’ বা নিম্নমূল্যের শ্রেণিতে দেখিয়ে দলিল নিবন্ধন করছেন, ফলে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এই অনিয়মের কারণে রেজিস্ট্রারদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জমির বাজারমূল্য নির্ধারণের প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ও সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ জানান, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিকে যুক্ত করে নতুন কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা চলছে এবং ভূমি-সংক্রান্ত সব সেবা একই প্রশাসনিক কাঠামোর আওতায় আনার কাজ শুরু হয়েছে। গুলশান ও তেজগাঁও এলাকার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে রাজস্বের বিশাল পার্থক্য তৈরি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোনো রেকর্ড ও ডিজিটাল সংযোগহীনতার কারণে এই অনিয়ম টিকে আছে। তারা ভূমি ব্যবহারভিত্তিক তথ্য নিবন্ধন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা যায়।
রেজিস্ট্রারদের রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ভূমি মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সংস্কার আনছে সরকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।