Web Analytics

বাংলাদেশে গবেষণাগত অসদাচরণ নিয়ে জাতীয় বিতর্কের মধ্যে এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে বাংলাদেশি গবেষকদের অন্তত ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়েছে। চৌর্যবৃত্তি, তথ্যগত অসংগতি, চিত্রবিকৃতি ও ডুপ্লিকেট প্রকাশনার কারণে এসব প্রত্যাহারের কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। লেখক শামসুল আরেফীন বলেন, ঘটনাটিকে শুধু কয়েকজন অসাধু গবেষকের বিষয় হিসেবে দেখলে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বড় কাঠামোগত সমস্যাগুলো আড়ালে থেকে যাবে।

নিবন্ধে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, অধিকাংশ বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয় মূলত টিচিং বিশ্ববিদ্যালয় হলেও তাদের গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনা মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। অথচ পর্যাপ্ত অর্থায়ন, আধুনিক ল্যাবরেটরি, গবেষণা সহকারী, শক্তিশালী লাইব্রেরি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও হালকা পাঠদানের সুযোগ অনেক ক্ষেত্রেই নেই। শিক্ষকরা একসঙ্গে বহু কোর্স, পরীক্ষা, প্রশাসনিক দায়িত্ব ও থিসিস তত্ত্বাবধানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রকাশের চাপের মুখে থাকেন।

লেখক চৌর্যবৃত্তি ও গবেষণা অসদাচরণে শূন্য সহনশীলতার পক্ষে মত দেন, তবে কেবল শাস্তির বদলে প্রণোদনা ও সক্ষমতার ঘাটতি দূর করার আহ্বান জানান। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে গবেষণা ও টিচিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা পৃথক করা, সংখ্যার বদলে গবেষণার মানকে গুরুত্ব দেওয়া, বাধ্যতামূলক নৈতিকতা ও পদ্ধতি প্রশিক্ষণ এবং অসদাচরণ তদন্তে স্বাধীন জাতীয় সংস্থা বিবেচনা করা।

06 Aug 26 1NOJOR.COM

৩২৫ প্রত্যাহারকে ব্যক্তিগত ব্যর্থতার বদলে কাঠামোগত সংকট হিসেবে দেখার আহ্বান

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।