অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণসংক্রান্ত নীতিমালা বাতিল করে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। বৃহস্পতিবার বিজয়নগরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্তে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে এবং ওষুধ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ অগ্রাধিকার পেয়েছে।
ফুয়াদ বলেন, ওষুধ জীবন রক্ষার উপকরণ, শুধু ব্যবসার পণ্য নয়; তাই ওষুধনীতির কেন্দ্রে রোগী ও সাধারণ মানুষকে রাখতে হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৯৮ শতাংশ ওষুধ উৎপাদিত হলেও মানুষকে উচ্চমূল্যে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। ১৯৯৪ সালের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে ১১৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ছিল, যা অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৬ সালের নীতিমালায় ২৯৭টিতে উন্নীত করা হয়।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার গত ৩ আগস্ট ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা-২০২৬’ ও ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি-২০২৬’ বাতিল করে পুরোনো কাঠামোয় ফিরেছে। এবি পার্টি সাত দফা দাবি জানিয়েছে, যার মধ্যে নীতিমালা পুনর্বহাল, কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ, একই জেনেরিকের অযৌক্তিক মূল্যবৈষম্য কমানো, চিকিৎসকদের অনৈতিক প্রণোদনা বন্ধ এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী শিল্প সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি নীতি গ্রহণ রয়েছে।
বাতিল হওয়া অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের মূল্যনীতি পুনর্বহালের দাবি এবি পার্টির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।