কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ চত্বরে চেয়ারম্যানের সরকারি বাসভবন হিসেবে পরিচিত ‘পায়রা ভবন’ ভেঙে এর মালামাল বিধি না মেনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তারের বিরুদ্ধে বিক্রির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ভবন ভাঙা ও মালামাল সরানোর বিষয়ে তিনি জানতেন না এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নব্বইয়ের দশকে নির্মিত ভবনটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার আবেদন করা হলে জেলা প্রশাসক পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেন। কমিটির পরবর্তী কার্যক্রম শেষ হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর বদলির কারণে প্রক্রিয়াটি থেমে যায় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশল অফিস মালামালের মূল্য ৪ লাখ ১৪ হাজার ৫০৪ টাকা এবং ভাঙার ব্যয় ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর নেতৃত্বে জুলাইয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরে কনডেমনেশন কমিটির বৈঠক হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে; আইনের ব্যত্যয় প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দাউদকান্দির পায়রা ভবন ভাঙা ও মালামাল বিক্রির অভিযোগ খতিয়ে দেখছে জেলা প্রশাসন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।