যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম প্রধান নৌপথ। এতে বৈশ্বিক সমুদ্র বাণিজ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে এবং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশে অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত তেল, এলপিজি ও এলএনজি সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে আমদানি ব্যয় বাড়বে এবং জ্বালানি সরবরাহে সংকট দেখা দেবে।
প্রতি মাসে বাংলাদেশমুখী অন্তত ১৫টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করে। যদিও পরিশোধিত তেলবাহী জাহাজগুলো সরাসরি এ রুট ব্যবহার করে না, তবুও সরবরাহকারী দেশগুলো অপরিশোধিত তেল আমদানিতে এ পথের ওপর নির্ভরশীল। ফলে প্রণালি বন্ধ থাকলে জ্বালানি ও বাণিজ্য উভয় খাতেই অস্থিরতা দেখা দেবে। বিশেষজ্ঞরা জ্বালানি সাশ্রয় ও মজুত বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করেছেন যে, বাংলাদেশের জ্বালানি মজুত সক্ষমতা মাত্র ২৫-২৬ দিনের। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে ভয়াবহ সংকট দেখা দিতে পারে। তারা সরকারের প্রতি মজুত বাড়ানো ও জনগণকে সাশ্রয়ে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।