স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, সরকার ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে বিশেষায়িত হাসপাতাল পর্যন্ত সব চিকিৎসা সেবা ডিজিটালভাবে সংযুক্ত হবে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি স্বতন্ত্র স্বাস্থ্য আইডি থাকবে, যার মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসা রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাসপাতালের সিস্টেমে যুক্ত হবে। এতে জাতীয় পর্যায়ে একটি রেফারেল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে এবং চিকিৎসা সেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হবে।
ড. মুহিত বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে রোগীরা তাদের পূর্ববর্তী ও বর্তমান চিকিৎসার তথ্য জানতে পারবেন এবং প্রেসক্রিপশন সংরক্ষিত থাকবে। এতে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহারের প্রবণতা কমবে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে। সরকার এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতকে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজ করতে চায়, যাতে সময়মতো চিকিৎসা ও সঠিক রেফারেল নিশ্চিত করা যায়।
প্রতিমন্ত্রীর মতে, ই-হেলথ কার্ড চালুর ফলে রোগী ব্যবস্থাপনা আধুনিক হবে, স্বচ্ছতা বাড়বে এবং দেশের স্বাস্থ্য অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
বাংলাদেশে ই-হেলথ কার্ডে যুক্ত হবে সব হাসপাতাল ও রোগীর রেকর্ড
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।