আধুনিক সমাজে জেন-জি তরুণদের শৈশব থেকে প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে প্রবেশের সময়কাল দীর্ঘ ও জটিল হচ্ছে। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, আবাসন, মানসিক স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা অনেকের স্বাধীন জীবন শুরু বিলম্বিত করছে। যুক্তরাজ্যে ২৫ বছর বয়সীদের ৪৩ শতাংশ এখনো বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকেন; বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করেও চাকরি না পেয়ে অনেকে পরিবারের কাছে ফিরে যাচ্ছেন।
দুর্বল শ্রমবাজার ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চাপকে এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলা হয়েছে। তবে পরিবারের সঙ্গে থাকা সব তরুণ সমস্যায় আছেন—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না। কেউ কেউ আর্থিক ও মানসিক নিরাপত্তার জন্য স্বেচ্ছায় পরিবারের সঙ্গে থাকেন। যুক্তরাজ্যে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সকে শিশু বা পূর্ণবয়স্কের বদলে পৃথক বিকাশপর্ব হিসেবে দেখার আলোচনা বাড়ছে; এতে নাফিল্ড ফাউন্ডেশনের গবেষণা ও অ্যালান মিলবার্নের পর্যালোচনার উল্লেখ রয়েছে।
নেদারল্যান্ডসে কিছু ক্ষেত্রে তরুণদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব ২৪ বা ২৭ বছর পর্যন্ত বিস্তৃত, আর অস্ট্রেলিয়ায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো ১২ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত। যুক্তরাজ্যে শিশুদের সেবা থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের সেবায় যাওয়ার সময় কঠোর যোগ্যতার শর্তে সহায়তার শূন্যতা তৈরি হতে পারে। উৎসটি বলছে, তরুণদের স্বাধীনতাকে খাটো না করে পরিবার ও রাষ্ট্রের সহায়তা কাঠামো নতুনভাবে ভাবা দরকার।
অর্থনৈতিক চাপ ও সেবার ঘাটতিতে জেন-জির স্বাধীন জীবনে প্রবেশ জটিল হচ্ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।