দেশের প্রায় ৯ হাজার সরকারি জলমহাল স্থানীয় সুফলভোগীদের জন্য উন্মুক্ত করার প্রস্তাব ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। গত জুনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সায়রাত অনুবিভাগে পাঠানো এ প্রস্তাবের লক্ষ্য প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণ থেকে জলাশয় মুক্ত করা এবং প্রকৃত মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার সুযোগ নিশ্চিত করা। হাওড়-বাঁওড়, খাল-বিল ও নদীসহ বিভিন্ন উন্মুক্ত জলাশয় এতে অন্তর্ভুক্ত।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রহুল আমীন জানিয়েছেন, প্রস্তাব পাওয়ার পর সব জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে। কয়েকটি জেলায় ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়া জলমহাল ইতোমধ্যে উন্মুক্ত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যেসব ইজারার মেয়াদ শেষ হবে, সেগুলোও যাচাই-বাছাই করে স্থানীয় সুফলভোগীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ৩৯ হাজার ১৯০টি সরকারি জলমহালের মধ্যে ১৫ হাজার ৪২০টি ইজারা দেওয়া হয়েছিল।
ওই অর্থবছরে জলমহাল ইজারা থেকে সরকারি কোষাগারে প্রায় ১৩০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জমা হয়েছে। মৎস্যজীবী প্রতিনিধিদের মতে, রাজস্বকে অগ্রাধিকার দিলে প্রকৃত জেলেরা জলাশয় থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারেন এবং প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন কমতে পারে। ২০২৬ সালের আইনের খসড়ায় দখল ও দূষণ রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সুফলভোগীদের জন্য ৯ হাজার সরকারি জলমহাল উন্মুক্তের প্রস্তাব
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।