শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারের নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
মন্ত্রী তার ২০০১–২০০৬ মেয়াদের অভিজ্ঞতা স্মরণ করে বলেন, জগন্নাথ কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের জন্য নীতিগত পদক্ষেপ নিতে হয়েছিল। তিনি শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি বিতর্ক ও খেলাধুলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং জানান, ২০২৭ সালে শিক্ষা সংস্কার শুরু হবে ও ২০২৮ সালে সিলেবাস হালনাগাদ করা হবে। তিনি অতীত নেতৃত্বের সমালোচনা করে বর্তমান নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে জ্ঞানভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে খালি জমি শিক্ষকদের আবাসনের জন্য বরাদ্দের দাবি তোলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রশংসা করে ২০২৮ সালের মধ্যে সংস্কারের ঘোষণা দেন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।