সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ভর্তুকির ১,২১৮ কোটি টাকা না পাওয়ায় তহবিল সংকটে পড়েছে। ভর্তুকি দরে পণ্য বিক্রির কারণে সরকারের কাছে এ অর্থ বকেয়া রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। অর্থ ছাড়ে আবেদন করা হলেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। টিসিবি বর্তমানে স্মার্ট কার্ডধারী এক কোটি পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল, মসুর ডাল ও চিনি সরবরাহ করছে।
পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংক থেকে এলসির বিপরীতে নেওয়া ঋণ সময়মতো পরিশোধ ব্যাহত হওয়ায় সুদের অঙ্ক বাড়ছে। টিসিবির হিসাবে, বকেয়া দায়ের বিপরীতে দৈনিক ব্যাংক সুদ দাঁড়িয়েছে ৪০ লাখ ৫১ হাজার ২৩০ টাকা। এলটিআরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ব্যাংকগুলো নতুন ট্রাস্ট রিসিট বা ঋণ দিতে অনীহা দেখাচ্ছে, ফলে আমদানি ও স্থানীয়ভাবে পণ্য কেনার বিল পরিশোধে সমস্যা হচ্ছে।
টিসিবি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, দ্রুত অর্থ না পেলে চাল, ডাল, তেল ও চিনি কেনার জন্য নতুন এলসি খোলা সম্ভব নাও হতে পারে এবং কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। টিসিবির মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন বলেন, সংস্থাটির নিজস্ব তহবিল নেই এবং চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের লোকসানের বিপরীতে ভর্তুকি চাওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
ভর্তুকি বিলম্বে এক কোটি পরিবারের কম দামের পণ্য সরবরাহে শঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।