গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব তীব্র হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩৫৪ জনে পৌঁছেছে। ২৬ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেষ পাঁচ দিনেই মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। কঙ্গো সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ও মৃতের সম্মিলিত সংখ্যা ৩ হাজার ৭৫, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২৭ শতাংশ বেশি।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভাইরাসটি দেশে ‘দাবানলের মতো’ ছড়িয়ে পড়ছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হারকে নজিরবিহীন বলা হয়েছে এবং এটিকে কঙ্গোর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দ্রুতগতির ইবোলা সংক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আব্দুল সামি নাসিদির মতে, কার্যকর ভ্যাকসিনের অভাব দ্রুত সংক্রমণ ছড়ানোর প্রধান কারণ।
সংঘাতকবলিত এলাকাগুলোতে ন্যূনতম স্বাস্থ্য অবকাঠামো না থাকায় নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া বুন্দিবুগয়ো ভ্যারিয়েন্টটি ইবোলার চারটি বিরল ভ্যারিয়েন্টের একটি; এর বিরুদ্ধে স্বীকৃত কোনো ভ্যাকসিন নেই। অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপ জানিয়েছে, তারা একটি ভ্যাকসিন তৈরি করে পরীক্ষামূলকভাবে এক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগ করেছে।
কঙ্গোতে ইবোলায় মৃতের সংখ্যা ১,৩৫৪; বুন্দিবুগয়ো ভ্যারিয়েন্ট নিয়ন্ত্রণে উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।