বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুকন ও ইসলামিক স্কলার মুফতি আলী হাসান উসামা বলেছেন, জামায়াতের আকিদা খারাপ—এ দাবি ‘নির্জলা মিথ্যাচার’। ২ আগস্ট আমার দেশকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, জামায়াত একটি রাজনৈতিক দল এবং এতে দেওবন্দি, মাদানি, আজহারি, হানাফি, লা মাজহাবি, সুন্নি ও তাবলিগিসহ বিভিন্ন শিক্ষাধারা ও মাসলাকের মানুষ যুক্ত। তাঁর মতে, কোনো নির্দিষ্ট আকিদাকে সংগঠনটির সব নেতা-কর্মীর আকিদা হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ নেই।
কওমি শিক্ষার্থীদের জামায়াতে যোগদান নিয়ে হেফাজতের উদ্বেগসংক্রান্ত প্রতিবেদনের জবাবে উসামা বলেন, কওমি একটি শিক্ষাধারা, কোনো রাজনৈতিক দলের নাম নয়। তিনি দাবি করেন, কওমিতে পড়াশোনা করা ব্যক্তিরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হতে পারেন এবং অতীতে কওমি আলেমরা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি বলেন, জামায়াতের গঠনতন্ত্রে কুরআন ও সহিহ হাদিসনির্দেশিত আকিদার কথা বলা আছে।
উসামা আরও বলেন, সেক্যুলার দল করলে কওমিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত না হলে জামায়াতে যোগদানে তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ নেই। প্রতিবেদনে হেফাজতের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, জামায়াতের সঙ্গে আলেমদের জোট থাকায় কিছু শিক্ষার্থী দলটির দিকে ঝুঁকছেন এবং এ নিয়ে উদ্বেগ উঠেছে। তিনি কওমি তরুণদের একাংশের বিএনপিমুখী হওয়ার বিষয়েও আলোচনার প্রয়োজনের কথা বলেন।
কওমি পরিচয় ও জামায়াতে যোগদান নিয়ে মুফতি উসামার বক্তব্য
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।