নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘ সময় ব্ল্যাকমেইল ও দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাবেক সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভুক্তভোগীর বাবা কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলাটি করেন।
এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কুল থেকে ফেরার পথে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে বকুল মিয়া তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। অভিযোগে বলা হয়, তিনি গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন সময়ে তাকে ধর্ষণ করেন। ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে এক নারী সহযোগীর মাধ্যমে ভাড়া বাসায় নিয়ে অন্যদের দিয়েও ধর্ষণ করানো হয় বলে এজাহারে উল্লেখ আছে।
গত ১ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে পরীক্ষায় মেয়েটি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। পৌর বিএনপি বুধবার রাতে বকুলকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। পুলিশ দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে এবং অন্যদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
কেন্দুয়ায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলায় পাঁচ আসামি, বিএনপি নেতা দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।