নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নে দেড় কিলোমিটার ধাইজান খাল পুনঃখননের ফলে প্রায় ৫০০ হেক্টর কৃষিজমির জলাবদ্ধতা দূর হয়েছে এবং এক হাজার কৃষক উপকৃত হয়েছেন। ভরাট হয়ে যাওয়া খালটিতে আগে বৃষ্টির পানি নামতে না পারায় ধানের ফসল নষ্ট হতো। এ বছর পানি দ্রুত খালে নেমে যাওয়ায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় কাজটি করা হয়। প্রকল্পে সরকারি বরাদ্দ ছিল ৩৮ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকা; ব্যয় হয়েছে ২৮ লাখ ৪৫ হাজার ৯৯৬ টাকা। অব্যয়িত ১০ লাখ ১৬ হাজার ৩০৫ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। খালের দুই পাশে তালসহ বিভিন্ন প্রজাতির দুই হাজার ২০০ চারা রোপণ করা হয়েছে এবং অনেকে তীরে সবজি চাষ শুরু করেছেন।
কৃষকেরা বলেন, বর্ষায় ধানখেত ১৫ থেকে ২০ দিন পানির নিচে থাকত এবং ধান পচে যেত। এবার বিঘাপ্রতি ১৭ থেকে ১৮ মণ ধান পাওয়ার আশা করছেন তারা, যেখানে আগে ১০ মণও পাওয়া যেত না। স্থানীয় কৃষকেরা আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে খালের বাকি অংশ পুনঃখননের দাবি জানিয়েছেন।
খাল পুনঃখননে জলাবদ্ধতা কমে এক হাজার কৃষকের ধানের বাম্পার ফলনের আশা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।