বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি’ মামলায় বড় অগ্রগতি হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তদন্ত শেষে ১৫০ পৃষ্ঠার খসড়া অভিযোগপত্র তৈরি করেছে এবং তা আইনি পরামর্শের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আতিউর রহমান ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং বর্তমানে তিনি পলাতক।
অভিযুক্তদের মধ্যে আরও নয়জন বাংলাদেশি কর্মকর্তা ও নাগরিক ছাড়াও ভারত, উত্তর কোরিয়া, চীন, জাপান, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনের নাগরিক ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার ‘ল্যাজারাস গ্রুপ’সহ আন্তর্জাতিক হ্যাকার চক্রের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। চুরি হওয়া অর্থের একটি অংশ বিদেশি ক্যাসিনো ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাচার করা হয়।
২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়া সুইফট বার্তার মাধ্যমে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি হয়, যার মধ্যে মাত্র ৩৪.৬ মিলিয়ন ডলার উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। আইনি মতামত পাওয়ার পর আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় ৬৪ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির খসড়া অভিযোগপত্র
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।