বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুষ্টিয়ার গ্রামের বাড়ি থেকে হলে ফেরেন। সূত্র অনুযায়ী, রাত ৮টায় তৃতীয় বর্ষের কয়েকজন বুয়েট ছাত্রলীগ নেতা তাঁকে শেরেবাংলা হলের দোতলার ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে পাঠান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, তাঁর মোবাইল ফোনে ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে ভারতবিরোধী স্ট্যাটাস ও মতাদর্শের প্রমাণ খোঁজা হয়।
সূত্রে বলা হয়েছে, এরপর তাঁকে ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে মারধর করা শুরু হয়। পরে চতুর্থ বর্ষের কয়েকজন নেতাকর্মী এসে তাঁর ওপর আরেক দফা নির্যাতন চালান। রাতভর নির্যাতনের একপর্যায়ে আবরার নিস্তেজ হয়ে পড়েন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর দুই দিন আগে লেখা একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসের সঙ্গে এ ঘটনার সম্পর্ক টানা হয়েছে।
স্ট্যাটাসে আবরার কলকাতা ও মংলা বন্দর ব্যবহারের ইতিহাস, পানি বণ্টন এবং গ্যাস সরবরাহের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বিনিময় ছাড়া প্রতিদিন দেড়লাখ কিউবিক মিটার পানি দেওয়ার প্রশ্ন তোলেন এবং দেশে গ্যাসের অভাবে কারখানা বন্ধ হওয়ার মধ্যে গ্যাস দেওয়ার সমালোচনা করেন। পোস্টের শেষে তিনি পরের জন্য স্বার্থ ত্যাগ নিয়ে একটি কবিতার পঙ্ক্তি উদ্ধৃত করেন।
সূত্রে আবরার ফাহাদের স্ট্যাটাস ও মৃত্যুর আগের ঘটনার বিবরণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।