জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশে দেশের খুচরা বাণিজ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, লেনদেনের সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা কমে যাওয়ায় বিক্রি কমে গেছে এবং ভাড়া, বেতন ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে সমস্যা হচ্ছে। তারা অন্তত রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছেন।
ঢাকার নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি ও গুলিস্তানের দোকানিরা জানিয়েছেন, বিক্রি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি বলেছে, প্রতিদিন শত শত কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে এবং সন্ধ্যার পরের সময়েই ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিক্রি হয়। সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রীকে দোকান রাত ৮টা বা ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতির আবেদন জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই পদক্ষেপে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হলেও অভ্যন্তরীণ ভোগ কমে অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা জ্বালানি সাশ্রয় ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষায় সরকার-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন।
জ্বালানি সাশ্রয়ে দোকান আগেভাগে বন্ধে খুচরা বাণিজ্যে বড় ক্ষতি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।