অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুর্বল পাঁচ ইসলামী ব্যাংক—এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী—একীভূত করে গঠিত হয় রাষ্ট্রায়ত্ত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’। তবে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন এবং নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকও যোগ দেননি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসেও নেতৃত্ব নিয়োগ, শাখা একীভূতকরণ বা আইটি ব্যবস্থাপনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি। এতে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বেড়েছে।
২০২৫ সালের ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ অনুযায়ী এই একীভূতকরণে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা মূলধন দিয়েছে এবং আমানতকারীদের ১৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি আইনে সংশোধন এনে আগের মালিকদের ফেরার সুযোগ তৈরি করায় আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। প্রশাসকরা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে না। গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোর বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দীর্ঘসূত্রতা বাড়লে আর্থিক ঝুঁকি আরও গভীর হতে পারে। তারা বলেন, আগের মালিকদের ফেরানোর আগে লুটপাট ও অব্যবস্থাপনায় জড়িতদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
একীভূত ইসলামী ব্যাংকগুলোর স্থবিরতা ও আমানতকারীদের অস্থিরতা বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।