ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের সামরিক অভিযান, পশ্চিম তীরে দখলদারত্ব সম্প্রসারণ এবং জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা পরিবর্তনের আশঙ্কায় ইসরাইলের প্রতি জর্ডানের অসন্তোষ বাড়ছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সাম্প্রতিক বক্তব্যে জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ ইসরাইলি সরকারের নীতি নিয়ে আম্মানের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিনের শান্তিচুক্তি ও নিরাপত্তা সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও দুই দেশের সম্পর্ক আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জর্ডান ১৯৯৪ সালে ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করে। তবে গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি এবং পশ্চিম তীরে ইসরাইলি দখলদারত্ব বিস্তারের কারণে দেশটিতে রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ বেড়েছে। জর্ডানের জনসংখ্যার বড় অংশের ফিলিস্তিনি শিকড় এবং পশ্চিম তীর ও গাজায় পারিবারিক যোগাযোগ রয়েছে। আম্মানের আশঙ্কা, ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থী শক্তি বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনিকে জর্ডান নদীর পূর্ব দিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে, যা জনমিতিক ভারসাম্য, জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হবে।
দুই দেশের প্রায় ৩০০ কিলোমিটার সীমান্তে নিরাপত্তা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, অস্ত্র চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সহযোগিতা রয়েছে। ২০২১ সালের চুক্তিতে জর্ডান বছরে ৫০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি পেত, কিন্তু ইসরাইল তা নবায়ন করেনি। বাদশাহ আবদুল্লাহ ইসরাইলের ওপর নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দ, বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
গাজা, পশ্চিম তীর, জেরুজালেম ও পানি ইস্যুতে ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে জর্ডান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।