২০২৪ সালের ২ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘প্রার্থনা ও ছাত্র-জনতার গণমিছিল’ ঘিরে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। উত্তরা, হবিগঞ্জ, খুলনা, লক্ষ্মীপুর, নরসিংদী, সিলেট ও কুমিল্লার দাউদকান্দিসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও জনতার সংঘর্ষ হয়। প্রতিবেদনে দুজন নিহত এবং অর্ধশত গুলিবিদ্ধসহ দুই শতাধিক আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
রাজধানীতে জুমার পর বায়তুল মোকাররম থেকে কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মিছিল শাহবাগে যায় এবং অন্য আন্দোলনকারীরা তাতে যোগ দেন। উত্তরায় পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়; সেখানে দুজন গুলিবিদ্ধ হন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দ্রোহযাত্রায় জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, গণগ্রেপ্তার বন্ধ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও সরকারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়।
খুলনায় পাঁচ ঘণ্টার সংঘর্ষে পুলিশের কনস্টেবল সুমন কুমার ঘরামী নিহত হন। হবিগঞ্জে এক পথচারী নিহত এবং সিলেটে এক শিশুসহ অন্তত ৫০ জন শটগানের গুলিতে আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। মুক্তি পাওয়া ছয় সমন্বয়ক দাবি করেন, ডিবি হেফাজতে তাঁদের দিয়ে জোর করে আন্দোলন প্রত্যাহারের ভিডিও বার্তা দেওয়ানো হয়েছিল। দাবি পূরণ না হলে ৩ আগস্ট জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে গণমিছিল শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।
গণমিছিল ঘিরে সংঘর্ষে দুজন নিহত ও দুই শতাধিক আহতের খবর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।