২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ইরানে ইসরাইলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযান এবং সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর তেল আবিব মনে করছে, ইরান ও তার মিত্ররা এখন দুর্বল। এই পরিস্থিতিতে ইসরাইলের নীতিনির্ধারকরা আঞ্চলিক আধিপত্য সুসংহত করার সুযোগ দেখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের প্রভাব কমে যাওয়ায় তুরস্ক এখন ইসরাইলের নতুন প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে, বিশেষ করে সিরিয়া ও লেভান্ত অঞ্চলে।
ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট তুরস্ককে ‘নতুন ইরান’ আখ্যা দিয়ে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানকে ইসরাইলবিরোধী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তুর্কি বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইসরাইল তুরস্কের বিরুদ্ধেও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল তৈরি করছে। ইসরাইলের সম্প্রসারণবাদী নীতি সিরিয়া, লেবানন, ইরান, কাতার ও ইয়েমেন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে, যা তুরস্ক আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সিরিয়া বা ভূমধ্যসাগরে ইসরাইল-তুরস্ক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়ছে। তবে তুরস্কের ন্যাটো সদস্যপদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থ ইসরাইলের পদক্ষেপকে সীমিত করতে পারে। তুরস্ক-মিশর-সৌদি আরব-পাকিস্তান জোটের উত্থান ইসরাইলের আঞ্চলিক আধিপত্যের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
ইরান যুদ্ধের পর তুরস্ককে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছে ইসরাইল, লেভান্তে ভারসাম্য বদল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।