বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন সেবার মান, পরিমাণ ও জবাবদিহিতা উন্নত করতে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবিত কমিশন জনস্বাস্থ্য, হাসপাতাল ও রোগ নির্ণায়কসেবা, মেডিকেল ও সহযোগী শিক্ষা, নিয়োগ ও চাকরির শর্ত, অভিযোগ, ক্রয়-সংগ্রহ এবং আর্থিক ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতা তদারক করবে। এর তত্ত্বাবধানে থাকবে হাসপাতাল ও রোগ নির্ণায়কসেবা, জনস্বাস্থ্য এবং মেডিকেল ও সহযোগী শিক্ষা—এই তিন অধিদপ্তর।
কমিশনকে কার্যকর করতে সরাসরি সরকারপ্রধানের কাছে জবাবদিহির কথা বলা হয়েছে এবং তদারকি ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে পৃথক রাখার প্রস্তাব রয়েছে। কমিশনে জনস্বাস্থ্য, রোগতত্ত্ব, আইন, অর্থনীতি, প্রকৌশল, পরিকল্পনা, ক্লিনিক্যালসেবা, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, নার্সিং ও প্যারামেডিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞ থাকার কথা। তিন রাজনৈতিক দল, তিন চিকিৎসক সমিতি, নার্স-প্যারামেডিক প্রতিনিধি ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রস্তাবিত কাঠামো সমর্থন পেয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপে ৭২ শতাংশ উত্তরদাতা এ ধারণাকে সমর্থন করেছেন।
সুপারিশে পৃথক জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সর্বজনীন বিনামূল্যের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রেফারেলভিত্তিক উচ্চতর চিকিৎসা এবং হাসপাতালের সহায়ক সেবা শক্তিশালী করার কথা রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ এবং ফর্মাল খাতের কর্মীদের জন্য সামাজিক স্বাস্থ্যবীমা চালুর প্রস্তাবও করা হয়েছে।
স্বাধীন স্বাস্থ্য কমিশন ও পৃথক জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠনের সুপারিশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।