Web Analytics

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ, কাতারের এলএনজি সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং সৌদি জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন হামলার প্রভাবে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নতুন করে ঝুঁকিতে পড়েছে। আমদানিনির্ভর অর্থনীতির সামনে এখন তিনটি বড় প্রশ্ন—জ্বালানির দাম বাড়ানো উচিত কি না, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কীভাবে ব্যবস্থাপনা হবে এবং যুদ্ধকালীন অনিশ্চয়তায় সুদের হার কমানো কতটা যৌক্তিক।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরাসরি জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি দ্বৈত মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এর পরিবর্তে লক্ষ্যভিত্তিক মূল্য সংস্কার, দক্ষ উৎপাদনে ভর্তুকি এবং অপচয় রোধের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় খাদ্য ও কৃষিখাতকে অগ্রাধিকার, বিলাসপণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রার ধীর অবমূল্যায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি ক্রয় পরিকল্পনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধকালীন সময়ে সুদের হার কমানো বিনিয়োগ বাড়াবে না, বরং অর্থ পাচার ও অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

লেখক মনে করেন, জ্বালানি, মুদ্রা ও রাজস্ব নীতির সমন্বিত প্রয়োগই অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে পারে। এজন্য রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার বাইরে গিয়ে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে জাতীয় সংকট টিম গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

03 Mar 26 1NOJOR.COM

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি, রিজার্ভ ও সুদের হারে চাপে বাংলাদেশ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।