বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে কঠোর তদন্ত শুরু করেছে। সরকার নির্ধারিত ফি’র কয়েকগুণ বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগে অভিযুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত সম্পদ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১০০টি এজেন্সির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং ২১৩ জনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মামলাগুলোতে আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ৭ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকার বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী না দিলে বা মিথ্যা তথ্য দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রান্তিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মোস্তফাসহ অভিযুক্তদের সম্পদ বিবরণী জমা দিতে বলা হয়েছে। মে ২০২৬ পর্যন্ত ১৬৭ জন বিবরণী জমা দিয়েছেন, যার মধ্যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের সুপারিশ করা হয়েছে।
এছাড়া সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধেও ১২টি পৃথক মামলা হয়েছে, যেখানে তাদের অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতিতে রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সম্পদ তদন্তে দুদক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।