রাজধানীর বাংলামোটরের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে শনিবার গুমের ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে অধিকার আয়োজিত আলোচনায় গুম সংক্রান্ত খসড়া আইনের সমালোচনা করেন সংসদ সদস্য, আইনজীবী, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও গুম ফেরত ব্যক্তিরা। তাঁরা অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হলে অভিযোগকারীর পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান এবং গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে রাখার বিরোধিতা করেন।
বিএনপির সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, গুমের শিকার বা স্বজনরা কারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা নাও জানতে পারেন এবং পুলিশ এ ধরনের অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করতে পারবে কি না, সে বিষয়ে তাঁর সংশয় আছে। জামায়াতের সংসদ সদস্য ও গুম ফেরত মীর আহমাদ বিন কাসেম খসড়াটিকে ‘আবর্জনা আইন’ বলে অভিহিত করেন। গুম ফেরত আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, রাষ্ট্রযন্ত্র প্রমাণ লোপাট করলে ভুক্তভোগীর ওপর প্রমাণের দায় চাপানো অমানবিক।
অধিকার সরকারের কাছে তিনটি দাবি জানায়। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বদলে স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার দাবি করে। পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য ব্যাংক হিসাব ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার সুযোগ এবং গুম ফেরত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে করা কথিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
গুমের খসড়া আইন বদলে স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে অধিকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।