রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতি চলায় অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। সকাল ৮টা থেকে শ্রমিকেরা বন্দরের বাইরে বিক্ষোভের চেষ্টা করেন, তবে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা জোরদার করে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) এক মাসের জন্য বন্দর এলাকায় সব ধরনের সমাবেশ নিষিদ্ধ করে নির্দেশনা জারি করেছে।
সূত্র জানায়, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ ও আদালতের রায়ের প্রতিবাদে শ্রমিকরা এই কর্মবিরতি ও ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করে। বন্দর কর্তৃপক্ষ রাজস্ব ক্ষতি নিরূপণ ও দায়ীদের শনাক্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। আন্দোলনের নেতৃত্বের অভিযোগে চার কর্মচারীকে ঢাকার পানগাঁও আইসিটিতে বদলি করা হয়েছে এবং অফিস চলাকালে আন্দোলনে অংশ নেওয়া কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত বন্দর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সভা-সমাবেশ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণা এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতিতে কার্যক্রম স্থবির, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা জারি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।