ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে তামাকপণ্যের কার্যকর মূল্যবৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। ইউনাইটেড ফোরাম অ্যাগেইনস্ট টোব্যাকো ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তামাকপণ্যের দাম বাড়ালে এর ব্যবহার কমবে, স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস পাবে এবং অকালমৃত্যু প্রতিরোধ সম্ভব হবে।
তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক তামাক ব্যবহার করে এবং প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষ তামাকজনিত রোগে অকালমৃত্যুর শিকার হয়। তামাকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা, যা তামাক খাতের রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি। চিকিৎসকদের প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট একত্রিত করে ১০ শলাকার প্যাকেটের খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণ, প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপ এবং উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম যথাক্রমে ১৫০ ও ২০০ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, বর্তমান জটিল কর কাঠামো সরলীকরণ করলে তরুণ ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর মধ্যে ধূমপান নিরুৎসাহিত হবে এবং অতিরিক্ত রাজস্ব স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নে ব্যয় করা সম্ভব হবে।
২০২৬–২৭ বাজেটে তামাকপণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব চিকিৎসকদের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।