বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সম্প্রতি টিটিপি নামধারী একটি জঙ্গি সংগঠনের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। পুলিশের একটি গোপন নথি ফাঁস হওয়ার পর এই খবর প্রকাশ্যে আসে। এতে প্রশ্ন উঠেছে, দেশে টিটিপি নামে কোনো সংগঠন বাস্তবে আছে কি না, নাকি কিছু তরুণ কেবল অনলাইনে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিদের প্রভাবে বিভ্রান্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অতীতে বিদেশে টিটিপি-সংক্রান্ত ঘটনায় কিছু বাংলাদেশির সম্পৃক্ততার খবর পাওয়া গেলেও সেগুলোর সত্যতা প্রমাণিত হয়নি।
প্রবন্ধে ২০০৭ সালে বাইতুল্লাহ মেহসুদের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের ইতিহাস ও কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে। ২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর পাকিস্তানে টিটিপির তৎপরতা বেড়ে যায় এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্কের পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করা হয়। লেখক প্রশ্ন তোলেন, গোপন নথি কীভাবে ফাঁস হলো এবং কোনো বিদেশি সংস্থা বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে চায় কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন।
প্রবন্ধে সতর্ক করা হয়, টিটিপি-সংক্রান্ত অভিযোগ পেশাদারভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করা উচিত এবং অতিরঞ্জিত প্রচারণা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
গোপন নথি ফাঁসে বাংলাদেশে টিটিপি উপস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।