প্রায় চার বছর আগে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ ঘোষণা করার পর থেকে দেশটি গভীরভাবে বদলে গেছে। “বিশেষ সামরিক অভিযান” নামে পরিচিত এই যুদ্ধ এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার অংশগ্রহণের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। বিবিসি ও মিডিয়াজোনা যাচাইকৃত তথ্যে দেখা যায়, রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে নিহতের সংখ্যা ১,৮৬,০০০ ছাড়িয়েছে। পশ্চিম সীমান্তের কুর্স্ক ও বেলগোরোদ অঞ্চলে গোলাবর্ষণ ও ড্রোন হামলা অব্যাহত থাকলেও মস্কো ও সেন্ট পিটার্সবার্গে যুদ্ধের প্রভাব তুলনামূলকভাবে সীমিত।
আল জাজিরার সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, রাশিয়ান সমাজে বিভাজন গভীর হয়েছে। কেউ কেউ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও সরকারের কঠোর সেন্সরশিপে ক্ষুব্ধ, আবার কেউ দেশপ্রেমের কারণে যুদ্ধকে সমর্থন করছে। সাইবেরিয়ার সৈনিক আলেকজান্ডার মেদভেদেভ যুদ্ধের বাস্তবতা দেখে দেশত্যাগ করেছেন। ২০২২ সালের পর থেকে লক্ষাধিক রাশিয়ান দেশ ছেড়েছে, যদিও অনেকে বিদেশে সমস্যার কারণে ফিরে এসেছে।
অর্থনীতি টিকে থাকলেও জনগণের মধ্যে উদাসীনতা ও ভয়ের পরিবেশ বিরাজ করছে। যুদ্ধ রাশিয়ার সমাজে সেন্সরশিপ বাড়িয়েছে, দৈনন্দিন জীবন বদলে দিয়েছে এবং আনুগত্য ও ক্লান্তি উভয়ই গভীর করেছে।
চার বছরের ইউক্রেন যুদ্ধ রাশিয়ার সমাজে সেন্সরশিপ ও বিভক্ত মনোভাব গভীর করেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।