বাংলাদেশের চিংড়ির বিশ্ববাজারে চাহিদা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে ৬০০ চিংড়িচাষিকে নিয়ে উৎপাদন ব্যবস্থার গুণগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, মন্টেরি বে অ্যাকোয়ারিয়াম এবং টোটালফুড প্রসেসিং প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে সহায়তা মিলবে।
টোটালফুড প্রসেসিংয়ের সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত ৬০০ চাষিকে আইএলওর ‘অ্যাডভান্সিং ডিসেন্ট ওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে চাষি ও শ্রমিকদের শ্রম আইন, মৌলিক অধিকার এবং কর্মক্ষেত্রের বিরোধ নিষ্পত্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। চাষিদের স্বার্থ রক্ষায় একটি সমিতি গঠনের কাজও চলছে।
মন্টেরি বে অ্যাকোয়ারিয়াম উত্তম মৎস্য চাষ পদ্ধতি, চিংড়ির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। ১১ থেকে ১৫ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও শেফরা বাংলাদেশে খামার পরিদর্শন এবং উৎপাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। টোটালফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজাউর রহমান বলেন, উদ্যোগটি রপ্তানি সক্ষমতা ও উপকূলীয় মানুষের কর্মসংস্থান এবং জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
চিংড়ির বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ৬০০ চাষিকে নিয়ে যৌথ উদ্যোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।